Android হোক বা iPhone — 1111bej অ্যাপে পাবেন লাইভ বেটিং, জ্যাকপট, লটারি, দ্রুত পেমেন্ট এবং বাংলা সাপোর্ট। মাত্র ১৫ MB, ইনস্টল করুন ২ মিনিটে।
Android, iOS বা সরাসরি ব্রাউজার — যেভাবে সুবিধা সেভাবেই 1111bej খেলুন
1111bej অ্যাপে যা পাবেন — ডেস্কটপেও এত সুবিধা একসাথে নেই
ম্যাচ চলাকালীন রিয়েল-টাইম অডস আপডেট ও স্কোরকার্ড। একটি স্ক্রিনেই সব।
গোল, উইকেট, জ্যাকপট বিজয়, ডিপোজিট কনফার্মেশন — সবকিছুর তাৎক্ষণিক আপডেট।
বিকাশ, নগদ, রকেট সেভ করুন একবার — পরবর্তী প্রতিটি ডিপোজিট মাত্র এক ট্যাপে।
আঙুলের ছাপ বা ফেস আনলক দিয়ে লগইন। পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা নেই।
রাতে চোখের আরামের জন্য ডার্ক মোড। অ্যাপের ডিজাইন ফোনের সিস্টেম থিম ফলো করে।
আপনার সব বেটের ইতিহাস, জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যান — সহজ গ্রাফে বোঝা যায়।
নির্বাচিত ম্যাচে সরাসরি খেলা দেখুন অ্যাপেই। বেট করতে করতে স্ট্রিম দেখুন পাশাপাশি।
অ্যাপের ভেতরে সরাসরি বাংলায় চ্যাট করুন সাপোর্ট টিমের সাথে। ২৪ ঘণ্টা সক্রিয়।
আপনার সব তথ্য ও লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত।
বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন কোটিরও বেশি। আর বেটিং বা লটারির জন্য বেশিরভাগ মানুষই মোবাইলে খেলতে পছন্দ করেন। 1111bej সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই তৈরি করেছে তাদের মোবাইল অ্যাপ — যেটা শুধু একটা ওয়েবসাইটের মোবাইল ভার্সন নয়, বরং পুরোপুরি নতুনভাবে ডিজাইন করা একটি অ্যাপ।
ময়মনসিংহের সজিব হোসেন একবার বলেছিলেন, "ব্রাউজারে খেলতাম আগে, কিন্তু মাঝেমাঝে পেজ রিলোড হয়ে যেত, বেট হারিয়ে যেত। 1111bej অ্যাপ নামানোর পর সেই সমস্যা নেই। অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকলেও লাইভ ম্যাচের অডস ঠিকঠাক থাকে।" এটা একটা বাস্তব সুবিধা যেটা অ্যাপ ব্যবহারকারীরা সবাই বোঝেন।
1111bej অ্যাপের সাইজ মাত্র ১৫ MB। বাংলাদেশে এখনো অনেকের ফোনে স্টোরেজ কম থাকে, তাই এই ছোট সাইজটা বড় বিষয়। ইনস্টলের পর অ্যাপটি ক্যাশ তৈরি করে, তাই পরে খুললে লোডিং সময় প্রায় শূন্য। ৩জি নেটওয়ার্কেও লাইভ বেটিং করা যায় কোনো সমস্যা ছাড়াই।
অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে APK নামানো নিরাপদ কিনা। 1111bej-এর APK সরাসরি অফিসিয়াল সার্ভার থেকে নামানো হয়, এতে কোনো তৃতীয় পক্ষ নেই। প্রতিটি APK ফাইল ডিজিটালি সাইন করা, তাই কেউ পরিবর্তন করলে ইনস্টলের সময় সেটা ধরা পড়ে। ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের ভয় নেই।
1111bej অ্যাপ প্রতি মাসে আপডেট হয়। নতুন গেম, নতুন ফিচার, এবং পারফরমেন্স উন্নতি প্রতিটি আপডেটে আসে। অ্যাপ সেটিংস থেকে অটো-আপডেট চালু রাখলে নতুন সংস্করণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হবে। সবসময় সেরা অভিজ্ঞতা পেতে আপডেটেড ভার্সন ব্যবহার করাই ভালো।
অ্যাপে কী কী অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন, একনজরে দেখুন
| ফিচার | Android অ্যাপ | iOS অ্যাপ | মোবাইল ব্রাউজার |
|---|---|---|---|
| লাইভ বেটিং | |||
| পুশ নোটিফিকেশন | |||
| বায়োমেট্রিক লগইন | |||
| অফলাইন ইতিহাস | |||
| লাইভ স্ট্রিমিং | |||
| এক-ট্যাপ ডিপোজিট | |||
| অ্যাপ-এক্সক্লুসিভ বোনাস | |||
| ৩G নেটওয়ার্কে পারফরমেন্স | চমৎকার | চমৎকার | মাঝারি |
1111bej অ্যাপ ব্যবহারকারীরা কী বলছেন
"অ্যাপটা অনেক হালকা, ফোন স্লো হয় না। লাইভ ম্যাচে বেট করার সময় অডস এত দ্রুত আপডেট হয় যে মিস করার সুযোগই নেই।"
"iPhone-এ খুব সুন্দর চলে। বিকাশে টাকা দেওয়া আগে ঝামেলার ছিল, এখন সেভ করা আছে — এক ট্যাপেই হয়ে যায়।"
"গ্রামে নেটওয়ার্ক কম থাকে, তারপরেও অ্যাপ বেশ ভালো কাজ করে। জ্যাকপট পেজ লোড হতে কম সময় নেয়।"
"লটারির ফলাফল এলে নোটিফিকেশন পাই — এটা সবচেয়ে ভালো লাগে। ড্রের সময় মিস হয় না আর।"
"ফেস আইডি দিয়ে লগইন হয়, পাসওয়ার্ড মনে রাখতে হয় না। ছোট বিষয় কিন্তু প্রতিদিন কাজে লাগে।"
"বাংলায় চ্যাট সাপোর্ট অ্যাপের ভেতরেই আছে। একবার একটা সমস্যা হয়েছিল, ১০ মিনিটের মধ্যে সমাধান পেলাম।"
বগুড়ার তরুণ ব্যবসায়ী রাসেল আহমেদ প্রথমে ল্যাপটপে 1111bej খেলতেন। এক বছর আগে অ্যাপ ইনস্টল করার পর থেকে ল্যাপটপ খোলার দরকারই পড়ে না। "সকালে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে আজকের ম্যাচের অডস চেক করি। অফিসে যাওয়ার পথে বাসে বেট করি। এটাই এখন রুটিন।" — এভাবেই 1111bej অ্যাপ বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে।
1111bej অ্যাপের UI ডিজাইন বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের অভ্যাস মাথায় রেখে তৈরি। অন্য অনেক বেটিং অ্যাপে বাটন ছোট, টেক্সট ইংরেজি, নেভিগেশন জটিল। 1111bej-এ সব কিছু বাংলায়, বড় বাটনে, সহজ মেনুতে। প্রথমবার ব্যবহারকারীরাও ৫ মিনিটের মধ্যে বেট করতে শিখে ফেলেন।
অ্যাপের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পেমেন্ট সিস্টেম। বিকাশ, নগদ, রকেট — বাংলাদেশের তিনটি প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মই সরাসরি অ্যাপের ভেতরে সংযুক্ত। একবার নম্বর সেভ করলে পরের প্রতিটি ডিপোজিট মাত্র দুটো ট্যাপে শেষ। উইথড্রয়ালও একইরকম দ্রুত — অনুরোধ করার ৫ মিনিটের মধ্যে টাকা বিকাশে পৌঁছায়।
নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন ব্যবহারকারীদের জন্য 1111bej অ্যাপে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু আছে। SMS OTP বা অথেনটিকেটর অ্যাপ দিয়ে দ্বিতীয় স্তরের নিরাপত্তা যোগ করা যায়। এতে অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। নিজের অ্যাকাউন্ট, নিজের পেমেন্ট — সবকিছু সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণে।
1111bej নিয়মিত অ্যাপ আপডেট দেয় বলে পুরনো ডিভাইসেও পারফরমেন্স ভালো থাকে। প্রতিটি আপডেটে মেমোরি ব্যবহার কমানো হয়, লোডিং টাইম কমানো হয়। ২০১৮-১৯ সালের Samsung বা Walton ফোনেও অ্যাপ স্মুথ চলে — এটা পরীক্ষিত। বাংলাদেশের বাজারের কথা মাথায় রেখে বাজেট ফোনের জন্যও অ্যাপটি অপ্টিমাইজ করা হয়েছে।